বন্দর সংবাদদাতা:
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর বন্দরে পৃথক অভিযান চালিয়ে ২০ লিটার চোলাই মদসহ খোকন লাল (৩০)কে আটক করতে সক্ষম হলেও পালিয়ে গেছে সেন্টু লাল (৩৫) নামে অপর এক মাদক ব্যবসায়ী। বুধবার (১৯ আগষ্ট) দুপুরে বন্দর থানার ২৩নং ওয়ার্ডের একরামপুর সুইপার কলোনী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে উক্ত চোলাই মদসহ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ ব্যাপারে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিদর্শক ওবায়দুল করিম ও একই দপ্তরের সহকারি উপ-পরিদর্শক মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে বন্দর থানায় পৃথক দুইটি মাদক আইনে মামলা রুজু করেছে। যার মামলা নং- ২১(৮)২০ ও ২০(৮)২০। থানা সূত্রে জানা গেছে, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিদর্শক ওবায়দুল করিমসহ সঙ্গীয় র্ফোস গত বুধবার (১৯ আগষ্ট) বিকেল বন্দর থানার একরামপুর সুইপার কলোনী এলাকার মাদক ব্যবসায়ী খোকন লালের বসত ঘরে অভিযান চালায়। অভিযানকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর উক্ত মাদক ব্যবসায়ী বসত ঘরে তল্লাশী চালিয়ে ১০ লিটার চোলাই মদসহ উক্ত এলাকার মৃত শুক্কুর লালের ছেলে চিহিৃত চোলাই মদ ব্যবসায়ী খোকন লাল (৩০)কে আটক করে। এ ছাড়াও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মোশারফ হোসেনসহ সঙ্গীয় র্ফোস একই দিনে একই স্থানে চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী সেন্টু লালের বসতঘরে তল্লাশী চালিয়ে ১০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করে। ওই সময় মাদক ব্যবসায়ী সেন্টু লাল মাাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর বাদী হয়ে বন্দর থানায় পৃথক দুইটি মাদক মামলায় রুজু করে ধৃত মাদক ব্যবসায়ীকে বন্দর থানায় সোর্পদ করে। পরে বন্দর থানা পুলিশ আটকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে মাদক মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) সকালে আদালতে প্রেরণ করেছে।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।